বিষয়বস্তুতে চলুন

খুতবাপল্লী

খুতবাপল্লী
குத்பাபள்ளி
ধর্ম
অন্তর্ভুক্তিসুন্নি ইসলাম
যাজকীয় বা
সাংগঠনিক অবস্থা
জামে মসজিদ
অবস্থাসক্রিয়
অবস্থান
অবস্থানমোল্লা স্ট্রিট, পুদুচেরি, পুদুচেরি
দেশভারত
খুতবাপল্লী পুদুচেরি-এ অবস্থিত
খুতবাপল্লী
পুদুচেরিতে মসজিদের অবস্থান
স্থানাঙ্ক১১°৫৭′৪৩″ উত্তর ৭৯°৫০′১৪″ পূর্ব / ১১.৯৬১৯৪° উত্তর ৭৯.৮৩৭২২° পূর্ব / 11.96194; 79.83722
স্থাপত্য
ধরনইসলামি স্থাপত্য
স্থাপত্য শৈলী
প্রতিষ্ঠার তারিখআনু. ১৭শ শতাব্দী
(হোয়াইট টাউনে)
সম্পূর্ণ হয়
  • আনু. ১৭শ শতাব্দী
    (১ম কাঠামো)
  • ১৮শ শতাব্দী
    (২য় কাঠামো)
  • ১৯৪৮ (পুনর্নির্মিত)
বিনির্দেশ
গম্বুজসমূহ২টি
মিনার২টি

খুতবাপল্লী (তামিল: குத்பாபள்ளி; ফরাসি: Couttoubapalli), যা জামিয়া মসজিদ খুতবাপল্লী বা শুধু খুতবা মসজিদ নামেও পরিচিত, হলো ভারতের পুদুচেরি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাজধানী শহর পুদুচেরিতে অবস্থিত একটি সুন্নি জামে মসজিদ। 'খুতবা' শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো মসজিদে প্রদত্ত শুক্রবারের উপদেশ বা ভাষণ। খুতবাপল্লীতে নিয়মিত নামাজের পাশাপাশি জুমার নামাজও অনুষ্ঠিত হয়।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

খুতবাপল্লীকে পুদুচেরির প্রথম মসজিদ হিসেবে দাবি করা হয়। এটি শুরুতে হোয়াইট টাউন এলাকায় অবস্থিত ছিল। ১৬৯৩ সালের পুদুচেরি কেল্লার ওলন্দাজ মানচিত্র অনুযায়ী, সেই কেল্লায় দুটি মসজিদ ছিল। ধারণা করা হয়, এর একটি ছিল খুতবাপল্লী এবং অন্যটি মীরাপল্লী।[১] ১৮শ শতাব্দীর প্রথমার্ধে মীরাপল্লীকে তার বর্তমান অবস্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়,[২] অন্যদিকে ১৭৬১ সালে ইংরেজদের হাতে হোয়াইট টাউন ধ্বংস হওয়ার আগ পর্যন্ত খুতবাপল্লী হোয়াইট টাউনের পশ্চিম অংশেই ছিল।[৩] মসজিদের বর্তমান কাঠামোটি ১৮শ শতাব্দীতে নির্মিত।

১৯৪৮ সালে দুপ্লেক্সের ফরাসি সৈন্যরা এই প্রাচীন মসজিদটি ধ্বংস করার চেষ্টা করেছিল। তবে স্থানীয় মুসলিমদের প্রতিরোধ এবং আব্দুল রহমানের সময়োচিত হস্তক্ষেপে তারা ব্যর্থ হয়।[৪] ফরাসিরা 'রু দ্য লা মনে' রাস্তাটির নাম পরিবর্তন করে 'রু ভিক্টর সিমোনেল' রেখেছিল। জোসেফ ফ্রান্সোয়া দুপ্লেক্সের গভর্নশিপের সময় এই রাস্তাটি 'রু দ্য লা মসকিউ' নামে পরিচিত ছিল, যার ইংরেজি অর্থ হলো "মসজিদ স্ট্রিট"।[৩]

স্থাপত্য

[সম্পাদনা]

মসজিদটির স্থাপত্য হলো ইন্দো-ইসলামি এবং ইন্দো-ফ্রেঞ্চ নকশার উপাদানগুলোর এক অনন্য সমন্বয়। এর মিনার, গম্বুজ এবং পুকুর সম্মিলিতভাবে একটি প্রশান্ত পরিবেশ তৈরি করে, যা এর নান্দনিক সৌন্দর্য এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব উভয়কেই ফুটিয়ে তোলে।[৫]

মসজিদের ভেতরে মোল্লা সাইউলবুমের একটি দরগাহ রয়েছে।[৬]

খুতবাপল্লী বর্তমানে পুদুচেরি শাখায় তাবলিগ জামাতের কেন্দ্র বা মর্কজ হিসেবে কাজ করে।

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. ↑ "Kaart van het beleg van de Stad en het fort Podechery"। Gahetna (ওলন্দাজ ভাষায়)। ৩ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০১৮।
  2. ↑ Denyon, M.। "Plan des ville et fort Louis de Pondichéry"। Gallica.bnf.fr (ফরাসি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০১৮।
  3. 1 2 Gaebelé, Yvonne Robert। Bégum, Johanna (সম্পাদক)। CREOLE ET GRANDE DAME: Marquise Dupleix (1706-1756) (ফরাসি ভাষায়)। Pondicherry: Imprimerie Moderne। পৃ. ১৯৮–১৯৯।
  4. ↑ Price, J. Frederic; Rangachari, K.। The Private Diary of Ananda Ranga Pillai - Dubash to Joseph François Dupleix - Governor of Pondicherry (পিডিএফ)। খণ্ড ৫। কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। পৃ. ৩০৮।
  5. ↑ "Kuthba Mosque"। Doorways Pondicherry। ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০২৫।
  6. ↑ "Jamia Mosque Pondicherry"। Tour My India। ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০২৫।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]